সর্বশেষ
  • রাজশাহীতে ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার
  • বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
  • নোয়াখালীর সেনবাগে বাস উল্টে নিহত ২
  • আমার দেশ এবং দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি চালুর দাবি ১৫ সম্পাদকের
  • বিএনপি সংসদে যাচ্ছে
  • ভবন ধসে অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন: অর্থমন্ত্রী
  • আশুলিয়ার পোশাক কারখানা খুলেছে
  • পাক নাগরিকদের আজমীরে আসতে বারণ!
  • জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে: মুনতাসির মামুন
  • এসএসসি-তে গড় পাস ৮৯.০৩ শতাংশ
তিস্তা ব্রহ্মপুত্র ও যমুনায় পানি বৃদ্ধি
Posted Date: 2012-06-20

গাইবান্ধা, ২০ জুন: গত কয়েক দিনের বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে গাইবান্ধায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনায় পানি অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এসব নদীর পানি এখনো বিপদসীমার কিছুটা নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭০ সে.মি ও তিস্তার পানি ৬০ সে.মি এবং যমুনার পানি ৬৫ সে.মি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলোতে পানি উঠেছে। ফলে এসব এলাকার পাটসহ বিভিন্ন শাক সবজির ক্ষেত এখন পানির নিচে।

 

ইতিমধ্যে নিজামখাঁর চর, চর খোর্দ্দা, বেলকা নবাবগঞ্জের চর, কানি চরিতাবাড়ি, চর চরিতাবাড়ি, উজান বুড়াইল, ভাটি বুড়াইল, চর বিরহীম, লাল চামার চর, চর ভোরের পাখি, ফকিরের চর, কালাই সোতার চর, কেরানির চর ডুবে গেছে।

 

অপর দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর ও গিদারী, ফুলছড়ির গজারিয়া, কাতলামারী, ফজলুপুর ও উড়িয়া ইউনিয়ন এবং সাঘাটার ভরতখালী, হলদিয়া, ঘুড়িদহ ও সাঘাটা সদর ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

 

এদিকে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফুলছড়ির রতনপুর, কাতলামারী, উড়িয়া, জিয়াডাঙ্গা এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ওইসব এলাকায় ৭০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব চরে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে পাঁচশ’ বাড়িঘর যমুনাগর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে  জানা গেছে।

 

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল মোস্তফা মো. আশাফুদ্দৌলা জানান, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেলেও এখনো তা বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

Subscribe
বাংলাদেশ -এর আরও সংবাদ