


ঢাকা, ১ আগস্ট: প্রথম আলোর সাভার সংবাদাতা অরুপ রায়কে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার রাধানগর তার নিজ গ্রামে হিন্দু ও মুসলমান পরিবারের মহিলাদের ম্লীলতাহানির ঘটনায় তাকে একঘরা করে রাখে এলাকাবাসী। এছাড়াও ধামরাই এলাকার আমতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন খানের শ্যালক খোকনের স্ত্রী সুফিয়াকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে। এ ঘটনায় সাটুুরিয়া ও ধামরাইয়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের মাতব্বররা অরুপ রায়কে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করে। সাটুরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো জানান অরুপ রায়কে বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে বয়কট ঘোষনা করা হয়েছে। সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বাশার সরকার জানিয়েছেন রাধানগর ও আশেপাশের গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে অরুপ রায় একটি আতংকের নাম। বিভিন্নভাবে হিন্দু পরিবারগুলো তার দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। অরুপ রায়ের নিজ বাড়ী রাধানগর, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের লোকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে বিভিন্ন সময় নারী কেলেংকারীর দায়ে অরুপ রায়কে জোতা পেটা করা হয়েছে। নেতিপাগলীকে ধর্ষনের দায়ে সাটুরিয়া মাছের বাজারে অরুপ রায়কে বেধে রাখা হয়েছিলো। তার এ ধরনের মানসিকতার পরিবর্তন না ঘটায় সাভারে আরেকটি পাগলনিকে ধর্ষনের চেষ্টা করার অভিযোগে আবারো সে সমালোচনায় চলে আসে। যে কারনে মানিগঞ্জের আওয়ামী লীগ, বিএনপি, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ সর্বস্তরের জনগন অরুপ রায়কে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। এবার সাভারের সাংবাদিক সমাজ অরুপ রায়কে নিষিদ্ধ করেছে। মানিকগঞ্জবাসী জানান, বিকৃত রুচির অরুপ রায় এলাকার সমকামিতার মাধ্যমে যৌনতায় আকৃষ্ট করার কারণে বছর দশেক আগে এলাকাবাসী তাকে মানিকগঞ্জ এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেন। অরুপ রায় সাভারের মজিদপুরের মুন্নার মাদক স্পটে সব হেরোইন তিনিই সরবরাহ করে থাকেন। মানিকগঞ্জ থেকে বিতারিত হয়ে সাভার এলাকার প্রথম আলোর সাভার সংবাদদাতা অরুপ রায় চাঁদাবাজি করে হয়েছে আজ কোটিপতি। অরুপ রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে থানার দালাল, নারী ব্যবসার দালাল, মাদক স্পট পরিচালনা। হরতাল এলেই ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে আবার তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে। ব্যবহার করেন দামি গাড়ি। বছরজুড়ে ভোয়া সংবাদ প্রচার করে আতংকে রাখেন গোটা সাভার। নানা অভিযোগের কারনে প্রথম আলো থেকে অরূপ রায়কে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। বরখাস্তের পর ১৫০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে প্রথম আলো পত্রিকায় লিখিত অঙ্গিকার নামা দিয়ে, যে আর কোন দিন সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে চাদাবাজি, নারী ও মাদক ব্যবসা করবে না ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে মানুষকে হয়রানি করবে না এই মর্মে লিখিত দিয়ে পুনরায় প্রথম আলোতে সংবাদ প্রেরনের অনুমতি পায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে তাদের বরখাস্ত করিয়ে এতে অরুপ রায়ের দম্ভ বেড়ে যায়! এসব ব্যাপারে কথা বলতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ কালে প্রথম আলোর সাভার সংবাদাতা অরুপ রায় বলেন, সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলাম তাতে কি আসে যায়। কয়েকদিন আগে সাভারের বাড্ডা ভাটপাড়া এলাকার আলম নামে এক সন্দেশ ব্যবসায়ীকে ভয় ভীতি দেখিয়ে লক্ষাধিক টাকা আদায় করেন প্রথম আলোর এই সংবাদদতা। সাভার এলাকার গার্মেন্টস শিল্প থেকে চাঁদাবাজি করে আজ কোটিপতি হয়েছে প্রথম আলোর এই সংবাদদতা। বিখ্যাত টপ ক্যাডারদের নিয়ে সাভারের বেদে পল্লীতে চলে তার মহড়া। তার মদদেই সাভারে নানা অপকর্ম সাধিত হচ্ছে। প্রথম আলোর অরুপ রায়ের রয়েছে একাধিক দামী গাড়ী অল্পদিনে তার অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে তিনি যেন আলাদীনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন। স্বশিক্ষিত অরুপ রায় প্রথম আলোর জোরে চাঁদাবজি করে। তার ফুলে ফেপে উঠা নিয়ে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে নেমেছে বলে জানা গেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য গোপন করে তিনি প্রথম আলোতে চাকরি নেন। একদিকে জমির দালালি অন্যদিকে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত টাকায় তার ভাগ্যের চাকা ঘুরতে থাকে। তখনই তিনি একাধিক নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পত্রিকায় শিরোনাম হন।