

রেজাউল করিম রেজা : বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক‘এর কার্যলয়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা - কমিশনের স্বচ্ছতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে মনে করেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
দুর্নীতি, দুর্নীতির তদন্ত এবং দুর্নীতির মামলা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে সাংবাদিকরা দু’দিন আগেও দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক’এ যেতে পারতেন যখন তখন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে তাতে লিখিতভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের কিছু জানার থাকলে সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত প্রশ্ন জমা দিতে হবে। যা যথার্থ মনে হলে বিকেল ৪টায় তার জবাব জানানো হবে। স্বাভাবিকভাবেই, এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন সাংবাদিকরা। যেমন বললেন মনজুরুল আলম পান্না।
দ্বিতীয় দফায় পদ্মা সেতুর দুর্নীতির তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত নানা তথ্য নিয়ে আপত্তি করে আসছিল কমিশন। টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কোনো চাপের মুখে দুদক সাংবাদিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো কিনা - তা দেখা দরকার। তাঁর মতে, এতে দুদক’এর স্বচ্ছতাই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
আর প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ জমির বলেন, এধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপের আগে দুদক’এর উচিত ছিল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা। তিনি বলেন, ব্যবস্থা যাই হোক না কেন সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
দুদক’এর ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালায় বলা হয়েছে যে দুদক জনগণের তথ্য অধিকার নীতিতে বিশ্বাসি। অথচ সেই দুদক’ই সংবাদ মাধ্যমে তথ্য দেয়ার ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলো।