


নিউ ইয়র্ক, ৩০ জুন: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সাবেক সভাপতি, বৈশাখী টিভির সিইও এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ইনস্টিটিউটের কো-চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেছেন, “রাজনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করা হয়েছে। অধিকাংশ সাংবাদিক কতিপয় সাংবাদিক নেতার অনৈক্যের শিকার। দেশে দুটি বিএফইউজে এবং ডিইউজে। সাংবাদিক নেতারাই সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ভাঙছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে সংকট সৃষ্টি হলে তা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে তিনি আরো বলেন, দেশে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়া হাউস বাড়ছে। ভালো সাংবাদিক কিন্তু বাড়ছে না।”
তিনি বলেন, “প্রেস ফ্রিডম নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা প্রশ্নের মুখোমুখি হই। এ কথা সত্যি, সেনাশাসিত সরকারের আমলে ডিজিএফআই আমাদের সাংবাদিকতা শেখায়। গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও আমরা শান্তিতে কাজ করতে পারি না। তারপরও আমরা সত্য বলার চেষ্টা করি।”
বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে ‘আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী শামসুল হক এবং সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মীর শিবলী।
বুলবুল বলেন, “দেশে দু’দশকে ২১/২২ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। একটিরও বিচার হয়নি। ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, কিন্তু ক্ষমতাসীনদের মানসিকতার পরিবর্তন হয় না।”
তিনি প্রবাসী সাংবাদিকদের বাংলাদেশের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরার আহবান জানান। তিনি বলেন, “আমাদের হতাশা আছে, ভালো দিকও আছে। দেশপ্রেম নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে সাংবাদিকদের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন করার পরিকল্পনা আছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রীর সঙ্গে আমরা কথা বলবো সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং মিডিয়ার স্বাধীনতার বিষয়ে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিটিভি’র সাবেক মহাপরিচালক এ. কে. এম. হানিফ, পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, আজকাল পত্রিকার সম্পাদক আহমেদ মুসা এবং নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, এটিএন নিউজ-এর বিশেষ প্রতিনিধি মাসুদুল হক, এটিএন বাংলা’র বার্তা সম্পাদক ফকীর সেলিম, এটিএন নিউজ-এর বার্তা সম্পাদক দর্পণ কবীর, দৈনিক ইত্তেফাকের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি এবং বাঙালী প্রতিবেদক শহীদুল ইসলাম, বৈশাখী টিভির প্রধান প্রতিবেদক হাসানুজ্জামান সাকী, এটিএন নিউজ’র সাংবাদিক রিজু মোহাম্মদ, এটিএন বাংলা’র সাংবাদিক কানু দত্ত এবং মোহাম্মদ আফজাল, এখন সময় পত্রিকার ফারাহানা চৌধুরী, মোহাম্মদ শরিফ কামাল এবং দেওয়ান মোহাম্মদ আশরাফ, এশিয়ান টাইমস-এর সম্পাদক জুবায়ের আলম প্রমুখ।